সামনে দূরে দেখা যাচ্ছে মিরপুর ১০ এর চত্ত্বর। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে।
রাস্তায় বিক্ষিপ্তভাবে আগুন জ্বালানো। গলির মধ্যে থেকে কেউ ভিডিও করছে। প্রচুর শব্দ। এর মধ্যে একটা চোখা গুলির শব্দ, কয়েকজন দৌড় দিলেন রাস্তার সাইড থেকে।
মাথায় ক্যাপ, সবুজ গেঞ্জি আর স্লাইডস পড়া একজনকে মনে হলো হাত চেপে বসে পড়লেন।
বাকি সবাই গলিতে ঢুকে গেলেন, হাত ধরে থাকা ছেলেটি একটু শক্তি পেয়ে দৌড় দিতে গেল, কয়েকজন পাশে এগিয়ে আসতেই দেখা গেলো সবুজ গেঞ্জি পুরো লাল হয়ে গেছে, ঝরনার মতো রক্ত পড়ছে বুকের বাম দিক থেকে।
ছেলেটা হয়ত বুঝতেও পারে নাই গুলি কই লেগেছিলো। রক্তের ঝরণায় ছেলেটা সমস্ত শক্তি হারিয়ে ফেলে, আশেপাশের লোকজন ধরার চেষ্টা করে কোলে তুলে নেয়।
হঠাত-ই জীবন্ত একজন প্রচন্ড ভারী হয়ে যায়, ভিডিওতে দেখি তাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এদিকে সমস্ত ফুটপাত জুড়ে তার রক্ত...
মানুষের কান্না, চিৎকারে আকাশটা ভারী হয়ে উঠে।
শহীদ আসিফ (২৮/২৯), মিরপুর ১।
সেই ১৪০০ বছর পুরনো নাশিদ..☘️
রাসূল (সা:) মক্কা থেকে হিজরত করে মাদিনায় প্রবেশের সময় রাসূল (সা:) কে দেখে ছোট ছোট বাচ্চারা আনন্দে এই নাশিদটি গাইতে থাকে.. সময়ের ব্যবধানে আমাদের থেকে এই নাশিদ টি হারিয়ে যাচ্ছে.. অনেকেই হয়তো জানেনও না এটা যে রাসূল (সা:) এর যুগের নাশিদ..!!🌼💛
50,300
30
নাপা এক্সট্রা
৯ এপ্রি, ২০২৬, ১০:৩২ AM
🎥 Video
২০১১/১২ সালের দিকে FM রেডিওতে একটা বুয়েটের ভাইয়া আর ইডেন কলেজের আপুর গল্প শুনেছিলাম, বাসে উঠতে না পেরে অচেনা একটা মেয়ের সাথে রিকশা শেয়ার করা, নাম্বার বিনিময়, তারপর প্রায় ৩ মাস পর আপুটার প্রথম ইদ উইশের ম্যাসেজ, সেখান থেকেই শুরু, এরপর কত সুন্দর স্মৃতি যেদুজনের!প্রথম গিফট হিসেবে মেবি আপুকে কক্সবাজার থেকে আনা একটা শাল গিফট করেছিলেন।
আপুর শাড়ি পড়া অবস্থায় দেখে ভাইয়ার হা করে তাকিয়ে থাকা, বাসে চলাচলের সময় ব্যাড টাচ না পায় সেজন্যে রিকশা ভাড়ার টাকা যোগাতে কি যে কষ্ট করতো ভাইয়াটা, এরপর ভাইয়াদের বাসা বদল, আপুর পছন্দ মতো রুম নিলেন যেহেতু এই বাসাতেই বিয়ের পর দুজনে থাকবেন, ভাইয়াটা নতুন চাকুরী পেলেন, প্রতি শুক্রবার ছিলো ওনাদের কাছে উৎসবের মতো, কারন সেদিনই দুজনের দেখা হতো। ভাইয়ার স্বপ্ন ছিলো আপুকে নিয়ে হানিমুনে সেন্টমার্টিন যাবেন, আপু নীল রংয়ের শাড়ি পরবে আরো কতো শতো স্বপ্ন দুজনের আপুর বাসায় নানান রকম বিয়ের প্রপোজাল আসতো কিন্তু আপু সাহস করে বাসায় বলতেই পারতো না ভাইয়ার কথা এভাবেই সব ঠিকঠাক চলছিলো, হঠাত একদিন সকাল বেলা আপুর বাসা থেকে ফোন আসে ভাইয়ার ফোনে, ওই আপুর ছোটবোন ফোন দিছিলো, ফোন দিয়ে বলে আপু নাকি দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছে!