দেশের ৫টি ফার্মেসি দেখুন, ৪টা হিন্দু সম্প্রদায়ের, ১টা মুসলিম। অনেক অঞ্চলে ৫টি’ই হিন্দুদের। আবার যে একটা মুসলমানের থাকে, সেখানেও কর্মী থাকে হিন্দু।
সেইম, মোদির মালের দোকান, কাপড়ের দোকান, স্বর্ণের দোকান ইত্যাদি দোকান বা ব্যবসা বাণিজ্যের হিসাবটাও একই, ৪,১ হবে।
১.৫ কোটি+ সম্ভবত প্রবাসী রয়েছে, সঠিক হিসাবটা জানি না। এই ১.৫ কোটির মধ্যে ১.৪ কোটি মুসলিম হবে (আনুমানিক)।
২০২২,২৩-এর পর থেকে আমাদের প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেরা দেশে থাকতে পারে না। লোন করে হলেও মা,বাপ দেশ থেকে বের করে দেয়। যা আছে, একদম ছোট, মানে ১৩,১৪-এর পোলাপান বলা চলে।
এইখানেই মূলত সমস্যা, ই'সকন বলেন আর নরমাল হিন্দু বলেন, প্রাপ্তবয়স্কের সংখ্যা এখানে চোখে পড়ার মতো। এখানেই কেউ নরমালভাবে প্রেমে,পিরিতে পরে যায়, রাস্তা হারায়। আবার বড় অংশ ই'সকনের লাভট্র্যা'পে পরে ভারত প্র'তিতালয়ে যায়।
দেশে মুসলিম প্রাপ্তবয়স্ক যারা আছে, তারা অতি ব্যস্ত মানুষজন। বর্তমানে সবাই নিজ নিজ কর্মে খুব ব্যস্ত থাকে। বাকি সব জায়গায়, স্কুল, কলেজ ইত্যাদি ইত্যাদি, সব জায়গায় রয়েছে হিন্দুরা সম্প্রদায় ।
এই ফ্যান্টাসির যুগে মেয়েরা প্রেম করবে না, এইটা আপনি বিশ্বাস না করলে ১৯৯০ এ আছেন।
আর এই প্রেমের জন্য প্রাপ্তবয়স্ক পোলাপান আশেপাশে যে কয়েকজন আছে, এদের বড় সংখ্যা ই'সকন পালিত হিন্দু, না হয় নরমাল হিন্দু।
ফ্যান্টাসির দুনিয়ায় এখন আর ফোনে রিলেশন চলে না। যেগুলো যাচ্ছে, সবগুলোই ফ্যান্টাসিতে ভুগে। আর লং ডিস্টেন্স রিলেশন এই যুগে হারিয়ে যাওয়া ডাইনোসরের মতই।
ই'সকনের যেই প্ল্যান আছে সেখানে, বেশিরভাগ ছেলেরাই অর্থ পেয়ে থাকে, আর এই সময়ে ফ্যাশন টুর এইগুলোর দিকে মেয়েদের মনোযোগ কেমন খোলে, বলার দরকার নেই।
আবার আরেকটা কার্ড হলো, নারীবাদী কার্ড। বেশি অংশ হিন্দু ছেলেপেলেদের দেখবেন মেয়েলী হয়ে থাকে। ব্যবহার খুব সফট হয়। এইদিকেও ফ্যান্টাসি গার্লসদের মনোযোগ করে। আর ই'সকন তো এগুলো একদম কাতা কলমে শিখাচ্ছে। ভারতের ভিডিও মাঝে মধ্যে ডা'র্ক সাইট বা টেলিগ্রামে দেখলে বুঝবেন।
আর এইদিকে মুসলিম পোলাপান আছে এক্সপোজ মাস্তিতে, এই এক্সপোজ মাস্তির জন্য বহু ফ্যান্টাসি গার্লসরা মুসলিম ছেলেদের, মানে নিজের জাতিকে ভয় পেয়ে থাকে। সেই ভয় থেকে প'তিতাপাড়ার দিকে এগুতে থাকে। কারণ তারা মনে করে, এই দেশে হিন্দুরা সেইফ অপশন। হইলে হইলো, না হইলে নাই, অন্তত এক্সপোজের ভয় নাই।
বর্তমান সময়ে আপনি ফ্যান্টাসি গার্লসদের যতই বোঝান, ফায়দা নাই। এদের উদ্দেশ্য কখনো ভালো ছিলো না। এরা জানে, ইসকন হলে গু**য়/, মেরে প'তিতালয়ে ছেড়ে দিবে। তাও শুয়ে পরে। এবং ভিডিও রেকর্ড ছেড়ে আসে। যা দিয়ে ই'সকনের বিক্রির রাস্তা সহজ হয়ে যায়। এবং তা করেও যাচ্ছে।
বহু কিছুই বলা যাবে, কারণ বহুদিন থেকেই দেখছি। তবে বলেও লাভ নেই। আমাদের আসলেই একটা বড় সমস্যা হলো, আমাদের প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেপেলে দেশে আসলেই অভাব। আবার আরো বড় সমস্যা হলো, দৈনন্দিন জীবনে দৈনিক আমার দরকারি জায়গাগুলোই হিন্দুদের আন্ডারে। অর্থাৎ আপনি চাইলেও এড়িয়ে চলা সম্ভব না।
আরেক বিরাট সমস্যা হলো, অপ্রাপ্ত বয়সের ছেলে মেয়েদের হাতে হাতে মোবাইল এবং ছেলে,মেয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, ফ্যান্টাসি দুনিয়া খুবই আনন্দের দেখায়।
এখান থেকে বের হওয়া কখনই সম্ভব মনে হয় না। কারণ এখান থেকে বের হওয়ার রাস্তাটাই নেই। আবার রাস্তাটা থাকলেও শেষে এবং শুরুতে মোদির দোকান, ই'সকন বা সাধারণ হিন্দুদের রয়েছেই। (গুগলী)
এইসব গার্লসদের নিয়ে চিন্তা না করে, ছবি ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার কাজগুলোই করতে পারেন নিয়মিত। অন্তত ৫,১০ লাখ টাকা কাবিনসহ যেনো কারো গলায় ঝুলে না পড়ে।
আপনি পাগলকে বোঝালে বুঝবে। আপনি একজন প'তিতাকে বুঝালেও বুঝবে, এই রাস্তা খারাপ। আপনি একটা শিশুকে বুঝালেও বুঝবে, এইটা বিপ'দ। কিন্তু একটা ফ্যান্টাসিতে ভোগা ম্য/গিকে বোঝালে কখনোই বুঝবে না, এইটা যে ই'সকন- নিয়ে প'তিতালয়ে ছেড়ে দিবে। এরা ফ্যান্টাসি দুনিয়ার স্বাদ নিবেই নিবে। এদের জন্য আমার অন্তত মায়া হয় না। গু’য়া ম্র/ খাউক। ধন্যবাদ।
লেখায় ভুল এবং কারো মনে আঘাত দিয়ে থাকলে দুঃখ প্রকাশ করছি, দুঃখিত।
বিঃদ্রঃ এই কথাগুলো আমি মিন্নত আলী একদিনের কোনো কিচ্ছা,কাহিনি থেকে লিখিনি। আমি নিয়মিত একজন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী। দীর্ঘদিন ধরে এসব বিষয় পর্যবেক্ষণ করছি। এতদিনে যা দেখেছি, বুঝেছি ও পেয়েছি, সেগুলোই আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আবারও দূঃখিত।
সকল ভিডিও আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে আছে কমেন্টে লিংক দেওয়া আছে দেখতে পারেন 🥹