তক্ষুনি রিকি একটু আসছি ম্যাম বলে উঠে গেল, কিছুক্ষণ পর দেখি ট্রেতে এক পেয়ালা কফি আর লেমন কেক নিয়ে ঢুকছে। আরে একি করছ? মা বলে গেছিল আপনার জন্য স্নাক্স দিতে আমি ভুলেই গেছিলাম। এসবের কোনো দরকার ছিল না। রিকি বেশ স্মার্ট, বলল না ম্যাম আপনি সারাদিন কাজ করে এসেছেন এটুকু না হলে কি চলে, কফিটা আমি বানিয়েছি। আমি বললাম বেশ দাও তাহলে। রিকি বলল কিছু যদি মনে না করেন, আমি কি নিজেও একটু কফি খেতে পারি আপনার সাথে বসে। আমি একটু অবাক হলাম। তাও বললাম বেশ তো খাও না। ধন্যবাদ ম্যাম বলে রিকি গিয়ে নিজের জন্য এক কাপ কফি আনলো। কফিটা রিকি ভালো বানাই, সেকথা বলতে হেসে আরেক প্রস্থ ধন্যবাদ দিল। আগেই বলেছি ছেলে টা খুব স্মার্ট।
টুকটাক অনেক কিছুই জানলো আমার থেকে আমিও জানলাম যে ওদের বড় ব্যবসা, বাবা মা দুজনেই ব্যবসার অংশীদার, আর কাজ সামলে ফিরতে প্রায় রাত্রি হয়। ছোট বেলা থেকেই তাই রিকি অনেকটাই সাবলম্বী ভাবে বড় হয়েছে। বাড়িতে দারোয়ান ছাড়াও কাজের লোক আছে, তবে তারা সাফাই আর রান্নার কাজ করে চলে যায়, আর দারোয়ান আসে রাত্রে। বেশিরভাগ সময় একাই কাটে রিকির। ফেসবুক, ওয়্যাটসএ্যাপ ও বন্ধুদের সাথে আড্ডা আর কখনো hangout, মানে আর পাঁচটা উচ্চবিত্ত teenager যেমন হয় তেমনি। রিকি বলল ম্যাম আপনার নম্বরটা দেবেন, কোনো কিছু অন্তকালে বা কোনদিন অসুবিধা হলে যাতে আপনাকে আগে থেকে জানিয়ে দিতে পারি। এটা আর কি এমন ব্যাপার ভেবে আমি নাম্বারটা দিয়ে দিলাম।
এরপর উঠতে গিয়ে একটা বিপত্তি হলো। চেয়ারে আটকে ওড়নাটা গা থেকে পরে গেল। আমি কফির কাপ হাতে কেমন কিংকর্তব্য বিমূর হয়ে গেলাম, এই সুযোগে রিকি ভালো করে আমার দুধ গুলো দেখতে থাকলো, কেমন জানি উত্তেজনায় আমার নিপল গুলো দাড়িয়ে গেল। রিকি নিশ্চয়ই একটা ভালো শো পাচ্ছিল, কিন্তু বুদ্ধিমান ছেলে, এসে আমার হাত থেকে কাপটা নিয়ে টেবিল এ রাখল তারপর ওরনাটা তুলে কাঁধে দিয়ে দিল, সেই সুযোগে আমার খাড়া হয়ে থাকা বাম নিপল টা ছুয়ে গেল ওর হাত। আমার শরীর এ যেন কারেন্ট খেলে গেল। আর তাতেই আমার হুস ফিরল, ওড়না টা সরিয়ে আমি সরে এলাম ওর থেকে, তারপর আজ আসি বলে প্রায় দ্রুতপদেই ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে গেলাম। প্রায় একটার মধ্যেই বাড়ি ফিরলাম। এতটা উত্তেজিত শারীরিক ভাবে আমি কোনদিন হইনি, এমনকি আমার বয়ফ্রেন্ডের সাথে যতবার সেক্স হয়েছে তাতেও না।
যাই হোক কাপড় জামা ছেড়ে খাওয়া দাওয়া করে নিজের রিসার্চ এর কাজ নিয়ে বসে পরলাম। প্রায় ১২ টা বাজে, তখন শুতে যাব, দেখি ওয়্যাটসএ্যাপে একটা টেক্সট ঢুকলো, Hi mam, I am ricky, this is my number. কেন জানি আমার বুকটা ধকধক করে উঠলো, তবু নিজেকে সামলে লিখলাম, Ok, I will save it. পরের টেক্সটটা ঢুকলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই। আজ আপনার কিছু হয়েছিল ম্যাম? অভাবে ছুটে চলে গেলেন। আমি এর কি উত্তর দেব বুঝে পাচ্ছিলাম না, একটু সময় নিয়ে বললাম ও কিছু না dont worry। রিকি লিখে পাঠালো ঠিক আছে ম্যাম, গুড নাইট। আমিও গুড নাইট বলে শুয়ে পরলাম। কিন্তু সেদিন ঘুম এলো অনেক রাত্রে। মাঝে weekend গেছে, মনটাও একটু হাল্কা হয়েছে। বয়ফ্রেন্ড ওখানে বাড়ি পেয়ে সব গুছিয়ে নেওয়াই তার সাথে নিয়মিত কথা শুরু হয়েছে। মনটাও ভালো হয়েছে অনেকটা, বুঝতে পারি একাকিত্বে ভুগছিলাম হয়তো। তাই সেদিনের ঘটনাটাই অভাবে রিয়েক্ট করেছি। তাও সোমবার আসাতে মনে একটু হলেও ধুকপুকানি শুরু হলো।
ক্যাম্পাস থেকে রিকিদের বাড়ি গিয়ে বেল বাজালাম, আজ রিকির মা খুলে দিলেন, আমি একটু নিশ্চিন্ত হলাম। আজ বাকি কিছু স্বাভাবিক ছিল, কাজের লোক এসে কফি দিয়ে গেল। গত দুদিন নতুন অভিজ্ঞতার কথা ভেবে আমিও আস্বস্ত হলাম। ফেরার সময় রিকির মা বললেন, রিকির আপনার পড়ানো খুব পছন্দ হয়েছে, তাই আপনি ওকে দুবছর দেখুন জয়েন্টটাও ওকে পেতে হবে। আমি বললাম আমি চেষ্টা করবো যথা সাধ্য। এরপর উনি আমার হাতে একটা খাম ধরিয়ে দিলেন, বললেন যে এটাতে এই মাসের বেতন আর সামনের মাসের অগ্রিমটা আছে। আজকাল অনেকেই অ্যাডভান্সে টাকা নেয় তাই। আমি একটু লাজুক, ধন্যবাদ বলে বাড়ি ফিরলাম।
গুনে দেখি ৮ হাজার টাকা আছে। খুশি মনে বয়ফ্রেন্ডকে জানালাম। ও একটু টিস করে বলল এরকম চললে কদিন পর তো আমার থেকেও বেশি টাকা রোজগার করবে। আমি মেকি রাগের ধমক দিয়ে শুয়ে পরলাম। তখনই ওয়্যাটসএ্যাপে রিকির টেক্সট ঢুকলো good night এর, আমিও রিপ্লাই করে দিলাম। এই ভাবেই চলতে থাকলো, রিকিকে পড়ানো। প্রায় দুবেলায় টেক্সট করতো রিকি। কখনো বয়ফ্রেন্ড ব্যস্ত থাকলে রাত্রে আড্ডাও দিতাম, ছেলেটা কথা বলতে জানে বেশ সহজেই conversation চালিয়ে যেত। টুকটাক forwarded জোকস ও পাঠাতে লাগলো আমাকে, আমিও reply করতাম। এই ভাবে আমরা অনেকটাই সহজ হয়ে গেলাম, রিকি ক্লাস টেস্ট এ ভালো করতে থাকলো।